ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে বলে আশা প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।

তিনি বলেন, এবার ভোট না দেওয়ার হার বেশি হবে কি না, তা আমি বলতে পারছি না। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৫৫ শতাংশ। আমার মনে হচ্ছে, এবার উপস্থিতি আরও বেশি হতে পারে।

আজ রোববার রাজধানীর একটি হোটেলে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (ডিক্যাব) ও ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই)  আয়োজিত দুই দিনব্যাপী নির্বাচনবিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচনকেন্দ্রিক সহিংসতা নিয়ে সরকারেরও উদ্বেগ রয়েছে এবং তা মোকাবিলায় চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে অতীতের প্রতিটি নির্বাচনেই এমন উদ্বেগ ছিল। সরকার সব সময় পরিস্থিতি যেন বাড়াবাড়ির দিকে না যায়, সে চেষ্টা করেছে।

তৌহিদ হোসেন বলেন, আপনারা জানেন, আমাদের দেশে নির্বাচন খুবই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। দলগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে সহিংসতায় উসকানি না দিলেও ব্যক্তি পর্যায়ে ঘটনা ঘটতে পারে। এটি নতুন কিছু নয়, প্রতিটি নির্বাচনেই এমন হয়। আমরা এসব ঘটনা কমিয়ে আনতে এবং একটি সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে চেষ্টা চালিয়ে যাব।

তিনি আরও বলেন, গণভোটকে কেন্দ্র করে সচেতন ও অসচেতন—উভয় ধরনের প্রচারণা চলছে। কিছু গোষ্ঠী স্পষ্টভাবে সরকারের বিরোধিতা করছে, আবার অন্যরা 'হ্যাঁ' ভোটের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

উপদেষ্টা আরও বলেন, মানুষ শর্তগুলো পড়ে তারপর সিদ্ধান্ত নেবে কীভাবে ভোট দেবে, তবে বাস্তবতা হলো—অধিকাংশ মানুষ দলীয় অবস্থানের ভিত্তিতেই ভোট দেবে। বড় দলগুলো ইতোমধ্যে তাদের অবস্থান জানিয়েছে, তাই আমি মনে করি না এতে কোনো বড় সমস্যা তৈরি হবে।