সাইবার জগতে নারীদের সুরক্ষায় আত্মপ্রকাশ ডব্লিউসিপিসি’র
সারা দেশে নারীদের বিরুদ্ধে সাইবার হয়রানি, চরিত্রহনন ও অনলাইন সহিংসতার প্রতিবাদে যাত্রা শুরু হয়েছে উইমেনস সাইবার প্রোটেকশন কাউন্সিল (ডব্লিউসিপিসি) নামে একটি প্ল্যাটফর্মের।আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মধুর ক্যান্টিনের সামনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সংগঠনটি আত্মপ্রকাশ করে।সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা ডিজিটাল পরিসরে নারীদের নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, সাইবার বুলিং ও চরিত্রহননের শিকার নারীদের পাশে দাঁড়াতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখ...
সারা দেশে নারীদের বিরুদ্ধে সাইবার হয়রানি, চরিত্রহনন ও অনলাইন সহিংসতার প্রতিবাদে যাত্রা শুরু হয়েছে উইমেনস সাইবার প্রোটেকশন কাউন্সিল (ডব্লিউসিপিসি) নামে একটি প্ল্যাটফর্মের।
আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মধুর ক্যান্টিনের সামনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সংগঠনটি আত্মপ্রকাশ করে।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা ডিজিটাল পরিসরে নারীদের নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, সাইবার বুলিং ও চরিত্রহননের শিকার নারীদের পাশে দাঁড়াতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নারী বিষয়ক সম্পাদক চেমন ফারিয়া ইসলাম মেঘলা বলেন, 'ডব্লিউসিপিসি একটি প্ল্যাটফর্ম। আজ থেকে এর কার্যক্রম শুরু হলো। যে কেউ এখান থেকে সহায়তা নিতে পারবেন। আমরা শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নয়, সারা দেশে এই প্ল্যাটফর্মটি বিস্তৃত করতে চাই।'
আয়োজকদের দেওয়া লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, 'ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলো ক্রমেই নারীদের জন্য ভয়ের জায়গা হয়ে উঠছে। সাইবার অপরাধে ১ হাজার ৭০০টির বেশি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, যা অপরাধীদের আরও উৎসাহিত করছে।'
বক্তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদ্বেষ ছড়ানোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। তাদের অভিযোগ, নারীদের ব্যক্তিগত ছবি বিকৃত করে মিম বানানো হচ্ছে এবং এমনকি নারীদের হত্যার হুমকিও দেওয়া হচ্ছে।
সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সদস্যসচিব অদিতি ইসলাম বলেন, 'ইন্টারনেটের মব কালচার এখন রাস্তাঘাট ও শ্রেণিকক্ষেও ছড়িয়ে পড়েছে। রাজনৈতিক মতবিরোধ হলেই কিছু ছাত্র ও গোষ্ঠী নারীদের চরিত্রহননের পথে হাঁটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন হয়রানি প্রতিরোধ সেল বা মনিটরিং সেলগুলো কার্যকর নয়। অনেক ক্ষেত্রে প্রক্টর কোনো ব্যবস্থা নেন না।'
ডাকসুর কার্যনির্বাহী সদস্য হেমা চাকমা বলেন, 'গালাগালি বা চরিত্রহননের মাধ্যমে আমাদের চুপ করানো যাবে না। রাজনৈতিক দলগুলোকে তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে নারীদের নিরাপত্তা ও সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। নিজ দলের বাইরের নারীদের সম্মান না করলে কোনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি নারী-বান্ধব হতে পারে না।'